হাসান মারুফ রুমী

সদস্য, রাজনৈতিক পরিষদ

জন্ম: ১৫ এপ্রিল ১৯৭৪

ছাত্র ফেডারেশন যুক্ত হন ১৯৯২ সাথে। ছাত্র রাজনীতি যুক্ত হওয়ার আগেই স্কুল জীবনে পাড়ার ছেলে মেয়েদের সংগঠিত করে নানান ধরনের সামাজিক কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন। চট্টগ্রামে ছাত্র ফেডারেশনের কাজ এবং পরবর্তীতে গণসংহতি আন্দোলনের কাজ গড়ে ওঠে তাঁর হাত ধরেই। ২০০২ সালে ছাত্র ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে ছাত্র রাজনীতি থেকে অবসর নেন। স্থানীয়ভাবে স্কুল, খেলার মাঠ ও পশুশালা রক্ষার আন্দোলন করেছেন ছাত্র অবস্থাতেই। ছাত্র রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার পরে চট্টগ্রাম জেলায় সন্ত্রাস বিরোধী, বর্ধিত বেতন ফি প্রত্যাহার, যৌন নিপীড়ন বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন সামনে থেকে। 

চট্টগ্রাম বন্দর আমেরিকান কোম্পানি এসএসএ কে ১৯৮ বছরের জন্য লিজ দেয়ার প্রতিবাদে এবং চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা ও দেশীয় ব্যবস্থাপনায় আধুনিকায়নের দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন হাসান মারুফ রুমী। এ ছাড়াও জাতীয় সম্পদ রক্ষার আন্দোলন, সুন্দরবন রক্ষার আন্দোলন, গ্যাস বিদ্যুৎ, পানিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বিরোধী আন্দোলে চট্টগ্রামে সামনে থেকেই নেতৃত্ব দিয়েছেন।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের নামে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সেবা সংকুচিত না করার দাবিতে আন্দোলন গড়ে তোলেন। আন্দোলনের চাপে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থানান্তর হয় ফৌজদারহাটে।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেনশ হোল্ডিং ট্যাক্স একেবারে কয়েকগুণ বৃদ্ধি করার প্রতিবাদে গণআন্দোলনে গণমানুষের নেতা হয়ে ওঠেন হাসান মারুফ রুমী। গণআন্দোলনে সামনে থেকে এবং হাই কোর্টে আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে গলাকাটা কর আরোপ বন্ধ করতে সমর্থ হন।

এছাড়াও তিনি গার্মেন্ট শ্রমিক ও ভাসমান শ্রমজীবী ও হকারদের সংগ্রামেও পাশে থেকে সহযোগিতা করেছেন সাধ্য অনুযায়ী। চট্টগ্রামে সাংস্কৃতিক আন্দোলন ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার সাথেও তিনি যুক্ত আছেন সমানভাবে। 

একাশদ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম ১০ আসন থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে চট্টগ্রামের গণমানুষের নেতা হয়ে উঠেছেন হাসান মারুফ রুমী।