ফিরোজ আহমেদ

সদস্য, রাজনৈতিক পরিষদ

২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৫

গণসংহতি আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্যদের মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম উদ্যোক্তা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে ভর্তি হন ১৯৯৪ সালে। যদিও ভর্তি হওয়ার আগেই ছাত্র ফেডারেশনের সাথে তাঁর যুক্ততা তৈরি হয়। ২০০০ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর সময়কালে কেন্দ্রীয় ছাত্র রাজনীতির জায়গা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি ছিলেন উজ্জ্বলতম ছাত্র নেতা। সাংগঠনিক দক্ষতা এবং বৃদ্ধিবৃত্তিক তৎপরতা, চিন্তা ও চর্চার জায়গা থেকে সকল ছাত্র সংগঠন ও নেতৃবৃন্দের তাঁর প্রভাব ছিল উল্লেখযোগ্য।

ছাত্র রাজনীতি শেষ করে গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় পরিচালনা কমিটির সদস্য হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক আন্দোলনের সংগঠক, শিক্ষক, লেখক ও বুদ্ধিজীবীদের সংগঠিক করার উদ্যোগ করেণ। ওসমানী উদ্যানের ১১ হাজার গছ রক্ষা আন্দোলন, লালন আখড়া রক্ষার আন্দোলন, ২০০৮ সালে জরুরী অবস্থার মধ্যে গড়ে ওঠা বাংলার সংস্কৃতি আন্দোলন, জনসংস্কৃতি মঞ্চসহ সকল উদ্যোগে সামনে থেকে সংগঠক হিসেবে কাজ করেছেন।

লেখা ও সম্পাদনার কাজে ফিরোজ আহমেদের আগ্রহ ও দক্ষতা বরাবরই বেশি। বাংলাদেশের সমকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতি, ইতিহাস, বাংলাদেশের সংবিধান ও সংসদীয় ব্যবস্থা গড়ে ওঠার প্রাথমিক কাল নিয়ে তাঁর গভীর পাঠ ও বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধ তিনি লিখেছেন।

শিশু কিশোরদের জ্ঞান বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহী করে গড়ে তুলতে বেশ কিছু উদ্যোগ তিনি গ্রহণ করেছেন। বাংলাদেশ এস্ট্রোনোমিক্যাল এসোসিয়েশনে তিনি সংগঠক হিসেবে বেশ কিছুদিন তিনি কাজ করেছেন এবং এস্ট্রোনোমিক্যাল এসোসিয়েশনের পত্রিকা মাহকাশ বার্তায় একসময় লিখতেন নিয়মিতভাবে।

দৈনিক পত্রিকায় শিশু কিশোর পাতা সংযোজন এবং জনপ্রিয় করে তোলার কাজেও ফিরোজ আহমেদের ভূমিকা অন্যন্য। তিনি আজকের কাগজে সুবর্ণসভা নামে কিশোর পাতা সম্পাদনা করতেন। ফলে আজকের কাগজের সুবর্ণসভা শিশু কিশোরদের মধ্যে হয়ে উঠেছিল অন্যতম জনপ্রিয় কাগজ। পরবর্তীতে সুবর্ণদিন নামে একটি কিশোর পত্রিকা তিনি সম্পাদনা করতে শুরু করেন।

শিশু কিশোরদের প্রকৃতি ও বিজ্ঞান পাঠে আগ্রহী করে তুলতে তিনি গড়ে তুলেছেন প্রকৃতি পরিচয় প্রকাশনী। গত ২/৩ বছরে প্রকৃতি পরিচয়ের বইগুলো পাঠকদের মাঝে বেশ সাড়া জাগাতে পেরেছে। 

এছাড়াও ফিরোজ আহমেদ সংহতি প্রকাশন ও বাংলাদেশ অনুবাদ সংসদ এর উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্বপালন করছেন।

জনৈতিক পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।