দেওয়ান আব্দুর রশিদ নিলু

সদস্য, রাজনৈতিক পরিষদ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি

জন্ম ৩০ ডিসেম্বর ১৯৫৬

১৯৬৯ সালে তিনি বরিশালে শ্রমিক আন্দোলনের সাথে যুক্ত হন। ৬৯ এর গণ অভ্যূত্থানের ঢেউ এসে লাগে বরিশালে। তিনিও অংশগ্রহণ করেন। আন্দোলনের তীব্রতা ও বিশালতা তাঁর রাজনীতির প্রজ্ঞা ও উপলব্ধিকে আরো শানিত করে। ৭১ সালে তরুণ যোদ্ধ হিসেবে ঝাঁপিয়ে পরেন মুক্তিযুদ্ধে। ৯ নাম্বার সেক্টরের অধীনে পেয়ারা বাগানে তিনি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তবে তিনি মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেট গ্রহণ করেননি।

স্বাধীনতার পরে আবারো তিনি শ্রমিক শ্রেণির মুক্তির সংগ্রামে শামিল হন। বরিশাল, পটুয়াখালী, ভোলা, খুলনা, বাগেরহাট অঞ্চলে শ্রমিকদের সংগঠিত করার কাজে যুক্ত হন। শ্রমিকদের মধ্যে কাজ করতে যেয়ে ১৯৭৫ সালে বরিশালে কারা বরণ করেন। ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত বরিশাল জেলখানায় বন্দী ছিলেন।

১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ কৃষক ফেডারেশনের সাথে যুক্ত হন এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। কষক ফেডারেশনের দায়িত্ব পালনরত অবস্থ্ায় বিশেষ পরিস্থিতিতে পারিবারিক কারণে দেশ ছাড়েন। দীর্ঘ ১০ বছর পরে ২০০২ সালে দেশে প্রত্যাবর্তন করেন এবং ২০০৪ সালে পুনরায় বাংলাদেশ কৃষক ফেডারেশনে যোগ দিয়ে সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০০৬ সালে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। 

রাজনৈতিক ভাবে আরো সক্রিয় হওয়ার জন্য ২০০৯ সালে গণতান্ত্রিক মজদুর পার্টিতে যোগদান করেন। এসময় থেকেই গণতান্ত্রিক মজদুর পার্টি ও গণসংহতি আন্দোলনের মধ্যে ঐক্য আলোচনা চলমান ছিল। এ প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে ২০১০ সালে গণসংহতি আন্দোলন ও গণতান্ত্রিক মজদুর পার্টি একিভূত হয়ে গণসংহতি আন্দোলন নামে ঐক্যবদ্ধ হোন। এসময় দেওয়ান আব্দুর রশিদ নিলু কেন্দ্রীয় পরিচালানা কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। 

২০১৫ সালে গণসংহতি আন্দোলনের ৩য় প্রতিনিধি সম্মেলনের ভেতর দিয়ে রাজনৈতিক দল হিসেবে কাজ শুরু করে এবং ২০১৬ সালে কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্মেলনের ভেতর দিয়ে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কিমিটি গঠিত হয়। এ কমিটিতে তিনি রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।